নিজস্ব প্রতিবেদক:
কলকাতার ভূমিপুত্র ঝ্যাং জিৎ পাল বর্তমানে নয়াদিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত থাকলেও পরিবেশ রক্ষায় তাঁর উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে। ‘শহরের বাগান’ নামে একটি সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি শহুরে জীবনে সবুজায়নের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।
জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন রাজ্যের পরিবেশপ্রেমীদের নিয়ে ‘শহরের বাগান’ গ্রুপ গড়ে তুলে বাস্তবিকভাবে বৃক্ষরোপণ ও গাছ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভারতের নানা প্রান্তের পরিবেশ সচেতন মানুষ গ্রুপে যুক্ত হচ্ছেন।
বিশ্ব উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মধ্যে “গাছ লাগান, জীবন বাঁচান”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শহরের ইট-কাঠ-পাথরের মাঝেও সবুজায়ন সম্ভব বলে মনে করছেন গ্রুপটির সদস্যরা।
৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান শহরে অনুষ্ঠিত হয় ‘শহরের বাগান’ কর্মসূচির একটি বিশেষ আয়োজন। এদিন অংশগ্রহণকারীদের উপহার হিসেবে দেওয়া হয় বাগান বিলাস গাছ।
আয়োজকরা জানান, এই গ্রুপের অন্যতম বিশেষত্ব হলো—কোনো সদস্যের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ না করেই স্বেচ্ছাশ্রম ও আন্তরিকতার ভিত্তিতে কর্মসূচিগুলো পরিচালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের জাতীয় শিক্ষক ও জাতীয় মেন্টর, পরিবেশবিদ ও গবেষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। তিনি বলেন,
“শহরের বাগান একদিন পৃথিবীব্যাপী অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে যেমন ভূমিকা রাখবে, তেমনি ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
কল্যাণী থেকে আগত গ্রুপের এডমিন প্রদীপ দাস বলেন,
“শহরের বাগান গাছ বিতরণ এবং বিভিন্ন স্থানে উদ্ভিদ রোপণের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ভারতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।”
এদিনের কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন গাছ বিশেষজ্ঞ শিক্ষক বিশ্বজিৎ দাস, গ্রুপের এডমিন প্যানেলের সদস্য বরুণ দে, পীযূষ মুখার্জি, সন্দীপ চ্যাটার্জীসহ আরও অনেকে।
পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শহরাঞ্চলে সবুজায়নের প্রসারে ‘শহরের বাগান’ উদ্যোগটি ইতোমধ্যে অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি, এম নজরুল ইসলাম খান,, সম্পাদক ও প্রকাশক,সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার আমীরি,
Copyright © 2026 DAILY ALOKITO SOMAJ. All rights reserved.