ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সহশিক্ষা ও সংস্কৃতিচর্চায় শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ বিকাশে চট্টগ্রাম মডেল স্কুলের নৃত্য প্রতিযোগিতা




বিশেষ প্রতিনিধি : নজরুল ইসলাম খান

 

চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে নৃত্য প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক বোধ ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চূড়ান্ত পর্ব উপলক্ষে আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। নৃত্যের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা, শিল্পবোধ ও সৃজনশীলতার পরিচয় তুলে ধরে। প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল শৃঙ্খলা, নান্দনিকতা ও শিল্পরুচির সমন্বয়, যা উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, প্রবন্ধক ও প্রধান শিক্ষক এম নজরুল ইসলাম খান, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ইয়াসমিন ইসলাম মোহাম্মদ, সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ ইলিয়াস, রুমানা পারভীন কনিকা, লাকি দাস, মেহেদী হাসান ছোটন, সুপন দেবনাথ, সানজিদা আক্তার, মোমেনা আক্তার, চৈতি পাল ও মিম আক্তারসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শুভানুধ্যায়ীরা।
বক্তারা বলেন, শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ বিকাশে সংস্কৃতিচর্চা, সহশিক্ষা কার্যক্রম, সৃজনশীল অনুশীলন ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় অপরিহার্য। নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বগুণ, দলগত চেতনা ও নান্দনিক বোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চট্টগ্রাম মডেল স্কুল বিশ্বাস করে, আনন্দময় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চার সমন্বয়েই গড়ে উঠতে পারে আগামী দিনের দক্ষ, মানবিক ও আলোকিত নাগরিক।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছে, যাতে তাদের উৎসাহ ও সৃজনশীল চর্চা আরও বৃদ্ধি পায়। তবে আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান পরবর্তীতে নির্ধারিত তারিখে আয়োজন করা হবে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের সহশিক্ষামূলক ও সৃজনশীল আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Tag :

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে বক্তব্য ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী

সহশিক্ষা ও সংস্কৃতিচর্চায় শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ বিকাশে চট্টগ্রাম মডেল স্কুলের নৃত্য প্রতিযোগিতা

প্রকাশের সময় : ১২:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি : নজরুল ইসলাম খান

 

চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে নৃত্য প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক বোধ ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চূড়ান্ত পর্ব উপলক্ষে আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। নৃত্যের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা, শিল্পবোধ ও সৃজনশীলতার পরিচয় তুলে ধরে। প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল শৃঙ্খলা, নান্দনিকতা ও শিল্পরুচির সমন্বয়, যা উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, প্রবন্ধক ও প্রধান শিক্ষক এম নজরুল ইসলাম খান, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ইয়াসমিন ইসলাম মোহাম্মদ, সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ ইলিয়াস, রুমানা পারভীন কনিকা, লাকি দাস, মেহেদী হাসান ছোটন, সুপন দেবনাথ, সানজিদা আক্তার, মোমেনা আক্তার, চৈতি পাল ও মিম আক্তারসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শুভানুধ্যায়ীরা।
বক্তারা বলেন, শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ বিকাশে সংস্কৃতিচর্চা, সহশিক্ষা কার্যক্রম, সৃজনশীল অনুশীলন ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় অপরিহার্য। নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বগুণ, দলগত চেতনা ও নান্দনিক বোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চট্টগ্রাম মডেল স্কুল বিশ্বাস করে, আনন্দময় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চার সমন্বয়েই গড়ে উঠতে পারে আগামী দিনের দক্ষ, মানবিক ও আলোকিত নাগরিক।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছে, যাতে তাদের উৎসাহ ও সৃজনশীল চর্চা আরও বৃদ্ধি পায়। তবে আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান পরবর্তীতে নির্ধারিত তারিখে আয়োজন করা হবে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের সহশিক্ষামূলক ও সৃজনশীল আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।