ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সংশপ্তক”ও প্রধান নির্বাহী লিটন চৌধুরী কে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ’র প্রতিবাদ…!




লিটন চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী ও কো-অর্ডিনেটর সংশপ্তক, আমার উপরোক্ত মকেল যারা হৃতেস প্রাপ্ত হয়ে উনার উপস্থাপিত কাগজপত্র, বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এবং বক্তব্যের ভিত্তিতে অর সপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ প্রদান করছি যে, বিগত ২৮ জানুয়ারি ২৫ থেকে ৬ দে১৫ পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখে ও Say was “News Bureau of Bangladesh, Banglapostbd.com, Cnewsbd’s post, দৈনিক এখন বার dailynobodeshbarta.news এবং দৈনিক শাহ আমানত, দৈনিক চৌকস, দৈনিক চট্টগ্রামের পাতা, দৈনিক যন্ত্র ও সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা নামক পত্রিকায় আমার মক্কেল এবং তাঁর স্বনামধন্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘সংশপ্তক’ কে নিয়ে বিভিন্ন শিরনামে মনগড়া, অক্ষর, কাল্পনিক ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ সংযোজন যরে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। যা শিষ্টাচার বহির্ভূত, সত্য বিবর্জিত, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও মানহানিকর বটে। আমার মক্কেল তাদের প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সংশপ্তক’ প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত সুনামের সাথে সতিদদী যক্তিদের চিকিৎসা ও পূর্ণবাসন নিয়ে কাজ করে আসছে। তাঁর সফলতায় কিছু বিপদগামী ও সংশপ্তক থেকে বিতারিত সদস্য প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুর করার কুমানসে কথিত আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা স্বঘোষিত সম্পাদক এম. আলী হোসেন এর যোগসাজশে এই কুৎসা রটনায় নিয়োজিত রয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, প্রকৃত সত্য হলো যে, সংশপ্তক ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর ২০০৭ সালে ‘মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। বরাবরে ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু এমমারও বিধিমালা অনুযায়ী এমমাত। অনুমোদন প্রাপ্তির বিভিন্ন খাপে ১০০০ নিবন্ধিত গ্রাহক এবং ৪০,০০,০০০/- (চল্লিশ) টাকার নিজস্ব অর্থায়নে ক্ষুদ্র ঋন পরিচালিত করার বিধান বলবৎ থাকায় সংশক্ষক নিজস্ব মূলধন বারিত কিছু ব্যাক্তি থেকে মেয়াদ ভিত্তিক মূলধন সংগ্রহ করে। সে ধারাবাহিকতায় চৈনেক হারুন-অর-রশীদ অতাহ শোষণ করলে তাঁর নিকট থেকে ৫০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা মূলধন গ্রহণ করা হয় যা ২০২৪ সালে মেয়াদপূর্তিরক্রমে পরিশোধে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আমার মক্কেল এবং অন্য এক সদস্য উৎপল কচুয়া চুক্তি পত্র সম্পাদন করেন। অতঃপর ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী করেনা মহামারির কারণে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠান বিপুল পরিমান। আর্থিক ক্ষতির সমুখীন হলে উক্ত হারুন-অর-রশীদ কে আমার মক্কেল তাঁর বিনিয়োগকৃত অর্থ কিয়দাংশ পান্ডসহ ফেরত নিতে অনুরোধ করায়, উক্ত হারুন তাঁর নামীয় হিসাব Md. Harunar Rashid, A/C NO-1154101085903, পূবালী ব্যাংক আনোয়ারা শাখায় বিগত ২৫/৯/২৪ তারিখে ২,০০,০০০/- টাকা চেকের মাধ্যমে গ্রহণ করেন। কিন্তু সুচতুর হারুন-অর-রশীদ প্রতিষ্ঠানের প্রতি অন্তবান সুলভ আচরণ ও ব্যস্ততার অনুবাতে অবশিষ্ট টাকা উত্তোলন থেকে বিরত থাকেন এবং কথিত ও স্বমেধিত সম্পাদকের কুপরামর্শে হারুন নিজের প্রতিজ্ঞা থেকে সরে নিয়ে আমোর মক্কেলদের বিরুদ্ধে সিএমএম আদালতে সিমার মামলা নং-১৫১২/১৪ (কোতোয়ালী), তারিখ-০৪/৭/২৪ইং রুজু করেন।

আমার মকেল থেকে গ্রাহক হারুন টাকা গ্রহণ করার পর বাকৃত সত্য যোশন করে হারুনের উপস্থিতিতে উচ্চ সম্পাদক বেশ কয়েকবার লোকজন নিয়ে সংশপ্তকে হামলা করার এটা করায় বিগত ০৬/১০/২৪ ইংরেজি তারিখে হারুন অর-রশীদ ও এম. অপী হোসেন কে বিবাদী করে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট ঘাসালতে আমার মক্কেল একখানা সাধারণ ডায়েরি করেন, যাহার নাম্বার-১৭১১/২৪। বিজ্ঞ আদালতে সাধারণ ডায়েরি লিপিবদ্ধ হওয়ার পর অবস্থা বেগতিক দেখে ছুটি শেষের অজুহাত দেখিয়ে বিগত ১০/১০/২৪ ইংরেজি তারিখে সাংবাদিক এম. আলী হোসেন কে আমমোক্তার নিযুক্ত করে উক্ত হারুনুর রশিদ দেশ ত্যাগ করেন।

আমমোকার নামা প্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই উক্ত এম. আলী হোসেন ধরাকে সরাত্মান করতে থাকেন, তখন থেকেই তিনি আমার মক্কেল ও তাঁর প্রতিষ্ঠান সংশপ্তক কে জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টল, পেইজ বুক পেইজ ও আন্ডাক্রাউন্ড পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করতে থাকেন। সম্মাতি প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদে দেখা যায় আমার মক্কেলের নামে চট্টমেট্রো-০২২৪৪২ অসমাপ্ত নামারেরও চট্ট মেট্রো-৭-১১-৫৩১২ নাম্বাতের প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা মামের একটি গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়। প্রকৃত পক্ষে আমর মক্কেলের নামে কোন গাড়ি নেই এবং তিনি গাড়ির মালিকও নন। আমি প্রতিবেদকের উক্ত তথ্যের তীব্র প্রতিবাদ ও আপত্তি সহকারে প্রত্যাখান করিলাম। অপর প্রতিবেদনে প্রতিবেদক উল্লেখ করেন যে, ‘আনোয়ারা পার কী চর এলাকায় আমার মক্কেলের বিপুল পরিমান ক্রয়কৃত জমি আছে। প্রকৃত এবং নিগুঢ় সত্যি হলো যে, আমার মক্কেল ও “সংশপ্তক’ ও অপর হাজনের নামে প্রতিবন্ধী রিমাকেচাইজেশন সেন্টার’ স্থাপন করার জন্য যৌথ অর্থায়নে ২০১২ সালে (৬ (ছয়) গন্ডা ক্রয় করা হয়।

এছাড়া বায় একেই শব্দ প্রয়োগ ও শিরনামে বেশ কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অফিসে পাওনাদারদের ভীড় এবং রাতের আধারে নথি সরানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার মক্কেল প্রতিবাদদাতা প্রতিবেদকের সকল বক্তব্য নাচিয়ে শ্যুঅংক্ষকমবে তীব্র প্রতিবাদ ও আপত্তি সহকারে প্রত্যাখান করেন। যেহেতু, হারুন-অর-রশীদ এর মায়েরকৃত মামলা একটি তদন্তাধীন বিষয়। সেহেতু, কোন তদন্তাধীন মামলার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা মহামান্য আদালত কে অবমাননার

সামিল।

হাত্যক্ষদৃষ্টে যেখা যায় প্রকাশিত গণমাধ্যমগুলোর উল্লেখযোগ্য সংখ্যাকের নিবন্ধন নেই। আবার প্রিন্ট পত্রিকাগুলোর নেই গ্রহণযোগ্য পরিচিতি। তাই এসব অনলাইন নিউজ পোর্টাল, পেইজ বুক পেইজ ও প্রচার বিহীন আন্তাক্রাউন্ড দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করার কারণে আমার মজেল প্রাতিষ্ঠানিক এবং সামাজিকতাহে চরম ক্ষতির সমুখীন হয়েছেন।

হারুনুর রশিদ এর সাথে মিমাংশিত ও পরবর্তীতে কল্পধীন একটি মাফলার বিষয়ে মিখ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিশুদ্ধকর সংবাদ প্রত্যাহার করে না নিলে আমার মকেল সংবাদ প্রকাশিত পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল, পেইজ বুক পেইজ, পেইজ বুক আইডি ও ব্যাক্তির বিরুদ্ধে যথাযত অসলরের ধারস্থ হয়ে দেশের রচলিত ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করতে বাধ্য হবেন।

Tag :

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে বক্তব্য ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সংশপ্তক”ও প্রধান নির্বাহী লিটন চৌধুরী কে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ’র প্রতিবাদ…!

প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

লিটন চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী ও কো-অর্ডিনেটর সংশপ্তক, আমার উপরোক্ত মকেল যারা হৃতেস প্রাপ্ত হয়ে উনার উপস্থাপিত কাগজপত্র, বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এবং বক্তব্যের ভিত্তিতে অর সপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ প্রদান করছি যে, বিগত ২৮ জানুয়ারি ২৫ থেকে ৬ দে১৫ পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখে ও Say was “News Bureau of Bangladesh, Banglapostbd.com, Cnewsbd’s post, দৈনিক এখন বার dailynobodeshbarta.news এবং দৈনিক শাহ আমানত, দৈনিক চৌকস, দৈনিক চট্টগ্রামের পাতা, দৈনিক যন্ত্র ও সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা নামক পত্রিকায় আমার মক্কেল এবং তাঁর স্বনামধন্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘সংশপ্তক’ কে নিয়ে বিভিন্ন শিরনামে মনগড়া, অক্ষর, কাল্পনিক ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ সংযোজন যরে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। যা শিষ্টাচার বহির্ভূত, সত্য বিবর্জিত, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও মানহানিকর বটে। আমার মক্কেল তাদের প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সংশপ্তক’ প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত সুনামের সাথে সতিদদী যক্তিদের চিকিৎসা ও পূর্ণবাসন নিয়ে কাজ করে আসছে। তাঁর সফলতায় কিছু বিপদগামী ও সংশপ্তক থেকে বিতারিত সদস্য প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুর করার কুমানসে কথিত আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা স্বঘোষিত সম্পাদক এম. আলী হোসেন এর যোগসাজশে এই কুৎসা রটনায় নিয়োজিত রয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, প্রকৃত সত্য হলো যে, সংশপ্তক ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর ২০০৭ সালে ‘মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। বরাবরে ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু এমমারও বিধিমালা অনুযায়ী এমমাত। অনুমোদন প্রাপ্তির বিভিন্ন খাপে ১০০০ নিবন্ধিত গ্রাহক এবং ৪০,০০,০০০/- (চল্লিশ) টাকার নিজস্ব অর্থায়নে ক্ষুদ্র ঋন পরিচালিত করার বিধান বলবৎ থাকায় সংশক্ষক নিজস্ব মূলধন বারিত কিছু ব্যাক্তি থেকে মেয়াদ ভিত্তিক মূলধন সংগ্রহ করে। সে ধারাবাহিকতায় চৈনেক হারুন-অর-রশীদ অতাহ শোষণ করলে তাঁর নিকট থেকে ৫০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা মূলধন গ্রহণ করা হয় যা ২০২৪ সালে মেয়াদপূর্তিরক্রমে পরিশোধে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আমার মক্কেল এবং অন্য এক সদস্য উৎপল কচুয়া চুক্তি পত্র সম্পাদন করেন। অতঃপর ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী করেনা মহামারির কারণে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠান বিপুল পরিমান। আর্থিক ক্ষতির সমুখীন হলে উক্ত হারুন-অর-রশীদ কে আমার মক্কেল তাঁর বিনিয়োগকৃত অর্থ কিয়দাংশ পান্ডসহ ফেরত নিতে অনুরোধ করায়, উক্ত হারুন তাঁর নামীয় হিসাব Md. Harunar Rashid, A/C NO-1154101085903, পূবালী ব্যাংক আনোয়ারা শাখায় বিগত ২৫/৯/২৪ তারিখে ২,০০,০০০/- টাকা চেকের মাধ্যমে গ্রহণ করেন। কিন্তু সুচতুর হারুন-অর-রশীদ প্রতিষ্ঠানের প্রতি অন্তবান সুলভ আচরণ ও ব্যস্ততার অনুবাতে অবশিষ্ট টাকা উত্তোলন থেকে বিরত থাকেন এবং কথিত ও স্বমেধিত সম্পাদকের কুপরামর্শে হারুন নিজের প্রতিজ্ঞা থেকে সরে নিয়ে আমোর মক্কেলদের বিরুদ্ধে সিএমএম আদালতে সিমার মামলা নং-১৫১২/১৪ (কোতোয়ালী), তারিখ-০৪/৭/২৪ইং রুজু করেন।

আমার মকেল থেকে গ্রাহক হারুন টাকা গ্রহণ করার পর বাকৃত সত্য যোশন করে হারুনের উপস্থিতিতে উচ্চ সম্পাদক বেশ কয়েকবার লোকজন নিয়ে সংশপ্তকে হামলা করার এটা করায় বিগত ০৬/১০/২৪ ইংরেজি তারিখে হারুন অর-রশীদ ও এম. অপী হোসেন কে বিবাদী করে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট ঘাসালতে আমার মক্কেল একখানা সাধারণ ডায়েরি করেন, যাহার নাম্বার-১৭১১/২৪। বিজ্ঞ আদালতে সাধারণ ডায়েরি লিপিবদ্ধ হওয়ার পর অবস্থা বেগতিক দেখে ছুটি শেষের অজুহাত দেখিয়ে বিগত ১০/১০/২৪ ইংরেজি তারিখে সাংবাদিক এম. আলী হোসেন কে আমমোক্তার নিযুক্ত করে উক্ত হারুনুর রশিদ দেশ ত্যাগ করেন।

আমমোকার নামা প্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই উক্ত এম. আলী হোসেন ধরাকে সরাত্মান করতে থাকেন, তখন থেকেই তিনি আমার মক্কেল ও তাঁর প্রতিষ্ঠান সংশপ্তক কে জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টল, পেইজ বুক পেইজ ও আন্ডাক্রাউন্ড পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করতে থাকেন। সম্মাতি প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদে দেখা যায় আমার মক্কেলের নামে চট্টমেট্রো-০২২৪৪২ অসমাপ্ত নামারেরও চট্ট মেট্রো-৭-১১-৫৩১২ নাম্বাতের প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা মামের একটি গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়। প্রকৃত পক্ষে আমর মক্কেলের নামে কোন গাড়ি নেই এবং তিনি গাড়ির মালিকও নন। আমি প্রতিবেদকের উক্ত তথ্যের তীব্র প্রতিবাদ ও আপত্তি সহকারে প্রত্যাখান করিলাম। অপর প্রতিবেদনে প্রতিবেদক উল্লেখ করেন যে, ‘আনোয়ারা পার কী চর এলাকায় আমার মক্কেলের বিপুল পরিমান ক্রয়কৃত জমি আছে। প্রকৃত এবং নিগুঢ় সত্যি হলো যে, আমার মক্কেল ও “সংশপ্তক’ ও অপর হাজনের নামে প্রতিবন্ধী রিমাকেচাইজেশন সেন্টার’ স্থাপন করার জন্য যৌথ অর্থায়নে ২০১২ সালে (৬ (ছয়) গন্ডা ক্রয় করা হয়।

এছাড়া বায় একেই শব্দ প্রয়োগ ও শিরনামে বেশ কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অফিসে পাওনাদারদের ভীড় এবং রাতের আধারে নথি সরানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার মক্কেল প্রতিবাদদাতা প্রতিবেদকের সকল বক্তব্য নাচিয়ে শ্যুঅংক্ষকমবে তীব্র প্রতিবাদ ও আপত্তি সহকারে প্রত্যাখান করেন। যেহেতু, হারুন-অর-রশীদ এর মায়েরকৃত মামলা একটি তদন্তাধীন বিষয়। সেহেতু, কোন তদন্তাধীন মামলার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা মহামান্য আদালত কে অবমাননার

সামিল।

হাত্যক্ষদৃষ্টে যেখা যায় প্রকাশিত গণমাধ্যমগুলোর উল্লেখযোগ্য সংখ্যাকের নিবন্ধন নেই। আবার প্রিন্ট পত্রিকাগুলোর নেই গ্রহণযোগ্য পরিচিতি। তাই এসব অনলাইন নিউজ পোর্টাল, পেইজ বুক পেইজ ও প্রচার বিহীন আন্তাক্রাউন্ড দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করার কারণে আমার মজেল প্রাতিষ্ঠানিক এবং সামাজিকতাহে চরম ক্ষতির সমুখীন হয়েছেন।

হারুনুর রশিদ এর সাথে মিমাংশিত ও পরবর্তীতে কল্পধীন একটি মাফলার বিষয়ে মিখ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিশুদ্ধকর সংবাদ প্রত্যাহার করে না নিলে আমার মকেল সংবাদ প্রকাশিত পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল, পেইজ বুক পেইজ, পেইজ বুক আইডি ও ব্যাক্তির বিরুদ্ধে যথাযত অসলরের ধারস্থ হয়ে দেশের রচলিত ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করতে বাধ্য হবেন।